অলুক দ্বন্দ্ব, অলুক তৎপুরুষ, অলুক বহুব্রীহি

সমাসের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হচ্ছে অলুক সমাস। কেননা মোট তিনটি সমাসের মধ্যে ‘অলুক’ রয়েছে। দুটি কথায় এ সমস্যার সমাধান করে নেওয়া যাক। আমরা জানি ‘অলুক’ অর্থ: বিভক্তি লোপ পায় না এমন। অর্থাৎ যে-সকল সমাসের সমস্তপদে বিভক্তি লোপ পায় না, বরং যুক্ত থাকে, সেগুলোকে অলুক সমাস বলে। মনে রাখবেন:১. সকল পদেই বিভক্তি যুক্ত থাকলে- অলুক …

Read More

‘য়’-এর আগের বর্ণে কার-চিহ্ন না থাকলে

‘য়’-এর আগের বর্ণের সঙ্গে কোনও কার-চিহ্ন যুক্ত না থাকলে উক্ত বর্ণটি ‘অ’ এর মতো উচ্চারিত হবে। যেমন: বিক্রয়। এখানে ‘য়’-এর আগের বর্ণের সঙ্গে কোনও কার-চিহ্ন নেই। তাই এখানে ‘ক্র’-এর উচ্চারণ ‘অ’-এর মতো হবে। সুতরাং এর উচ্চারণ হবে ‘বিক্ ক্রয়্’ (‘বিক্ ক্রোয়্’ নয়)। আরও উদাহরণ: আশ্রয় (আস্ স্রয়্), তন্ময় (তন্ ময়্), মহাশয় (মহাশয়্), হয় (হয়্), অভিনয় …

Read More

শুরুতে স/সম/সদ/তদ/স্ব থাকলে

‘স’, ‘সম’ উপসর্গ এবং ‘সৎ (সদ)’, ‘তৎ (তদ)’ ও ‘স্ব’ শব্দ থাকলে উক্ত বর্ণটি অ-কাররূপে উচ্চারণ করতে হবে। যেমন: সজীব। এখানে ‘স’ উপসর্গ যুক্ত থাকায় ‘স’ বর্ণটিকে ‘অ’-যুক্ত আকারে উচ্চারণ করতে হবে। সুতরাং এর উচ্চারণ হবে ‘শজিব্’ (‘শোজিব্’ নয়)। আবার, সংস্কার। এখানে ‘সম’ উপসর্গ (সম্+কার) যুক্ত থাকায় ‘স’ বর্ণটিকে ‘অ’-যুক্ত আকারে উচ্চারণ করতে হবে। সুতরাং …

Read More

উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।

কোনো শব্দ বা শব্দাংশের নিজস্ব অর্থ থাকাকে তার অর্থবাচকতা বলে। যেমন: ‘দেশ’ একটি শব্দ, যার নিজস্ব অর্থ (নির্দিষ্ট ভূখন্ড) রয়েছে; অর্থাৎ এর অর্থবাচকতা আছে। কিন্তু ‘প্র’ একটি উপসর্গ, যার নিজস্ব কোনো অর্থ নেই; অর্থাৎ অর্থবাচকতা নেই। কোনো শব্দ বা শব্দাংশের নতুন অর্থবোধক শব্দ সৃষ্টির ক্ষমতাকে তার অর্থদ্যোতকতা বলে। যেমন: ‘হার’ একটি শব্দ, যার অর্থ ‘পরাজয়’। …

Read More

উপমান বনাম উপমিত

উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাস নিয়ে প্রায়শই দ্বিধাদ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। একটিমাত্র বাক্যে আমরা আজ এ সংশয় দূর করে নেবো। আমরা নিশ্চয় জানি- একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝালে সাধারণভাবে সেটা উপমান বা উপমিত কর্মধারয় সমাস হয়। কীভাবে চিনবো?বিশেষণ (দোষ, গুণ, অবস্থা ইত্যাদি যে-কোনো বৈশিষ্ট্য) উল্লেখ থাকলে উপমান কর্মধারয় সমাস হবে; বিশেষণ উল্লেখ না থাকলে …

Read More

অনুস্বার (ং)-এর আগের বর্ণে কার-চিহ্ন না থাকলে

শব্দের মধ্যে ‘ং’ থাকলে এবং তার আগের বর্ণের সঙ্গে কোনও কার-চিহ্ন যুক্ত না থাকলে উক্ত বর্ণটি ‘অ’ এর মতো উচ্চারণ করতে হবে। যেমন: সংসার। এখানে ‘ং’ এর আগের বর্ণ ‘স’-এর সঙ্গে কোনও কার-চিহ্ন নেই। তাই এখানে ‘স’-এর উচ্চারণ ‘অ’-এর মতো হবে। সুতরাং এর উচ্চারণ হবে ‘শঙ্ শার্’ (‘শোঙ্ শার্’ নয়)। আরও উদাহরণ : রং (রঙ্), …

Read More

‘অ’ যখন ‘না’ বোঝায়

শব্দের শুরুতে ‘না’ অর্থে ‘অ’ বা ‘অন’ যুক্ত হলে উক্ত ‘অ’-এর উচ্চারণ অপরিবর্তিত থাকবে। অর্থাৎ ‘অ’ এর মতোই উচ্চারিত হবে।যেমন: অভিন্ন। এর অর্থ ‘ভিন্ন নয়’। অর্থাৎ এখানে ‘অ’ বর্ণটি ‘না’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এখানে ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘অ’ এর মতোই হবে। সুতরাং এর উচ্চারণ হবে ‘অভিন্ নো’ (‘ওভিন্ নো’ নয়)। আরও উদাহরণ : অনেক (অনেক্), …

Read More

‘হ্ব’ থাকলে ‘ওভ’ হবে

বাংলা শব্দ উচ্চারণের ক্ষেত্রে শব্দের মধ্যে ‘হ্ব’ (হ্+ব) থাকলে উচ্চারণের সময় সেটি ‘ওভ’ আকারে উচ্চারিত হবে। যেমন: আহ্বান। এর উচ্চারণের ক্ষেত্রে ‘হ্ব’ স্থানে ‘ওভ’ বসালে দাঁড়ায় ‘আ ওভা (হ্বা) ন’। সুতরাং এর উচ্চারণ হবে ‘আওভান্’ (‘আহোবান্’ নয়)। আরও উদাহরণ : গহ্বর (গওভর্), আহ্বায়ক (আওভায়ক্)। কিন্তু বিহ্বল (বিউ্ভল্), জিহ্বা (জিউ্ভা)।

Read More

নামের বানানে ভুল নেই?

খুব প্রচলিত একটি কথা আছে- ‘নামের বানানে ভুল নেই।’এটি কি আসলেই ঠিক? না, ‘নামের বানানে ভুল নেই’ কথাটি পুরোপুরি ঠিক নয়। উদাহরণ দিয়ে বোঝা যাক বিষয়টা।আমার নাম সবুজ। এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি ফারসি শব্দ। এ শব্দটিকে বাংলা ভাষায় ‘সবুজ’ বানানে লেখা হয়। বাংলায় লিখতে গেলে এটাই এর সঠিক বানান। এখানে আমি কোনোভাবেই ‘ষবুজ’ বা …

Read More